একদিনে আক্রান্ত ৫৫ হাজারের বেশি, অক্সিজেনের অপ্রতুলতায় ভুগছে হাসপাতাল - Nadia24x7

Breaking

Home Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, April 7, 2021

একদিনে আক্রান্ত ৫৫ হাজারের বেশি, অক্সিজেনের অপ্রতুলতায় ভুগছে হাসপাতাল

মুম্বই: সারা দেশে একেবারে বিদ্যুৎ গতিতে ছড়িয়ে পড়েছে করোনা সংক্রমণ। এমনকি প্রথম ধাক্কার তুলনায় দ্বিতীয় ধাক্কায় আক্রান্ত হচ্ছেন আরও অনেক অনেক বেশি মানুষ। এরমধ্যে সবচেয়ে খারাপ অবস্থার শিকার মহারাষ্ট্র। সোমবার থেকে মঙ্গলবারের মধ্যে সেখানে করোনা আক্রান্ত হলেন ৫৫ হাজারের বেশি মানুষ। অবস্থা দেখে মারাত্মক চিন্তায় পড়েছে সে রাজ্য সরকার।

এমনকি মহারাষ্ট্রের একাধিক হাসপাতালে রীতিমতো অক্সিজেনের সঙ্কট দেখা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ে মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ তোপ কথা বলেছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও। রাজেশ তোপ অনুরোধ করেছেন, যাতে প্রতিবেশী রাজ্যগুলি মহারাষ্ট্রকে অক্সিজেন সিলিন্ডার পাঠায়। কারণ, মহারাষ্ট্রের একাধিক হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডারের ঘাটতি রয়েছে।

করোনার বাড়-বাড়ন্তের মধ্যে এম্নিতেই মহারাষ্ট্রে সপ্তাহান্তে লকডাউন কার্যকর করা হয়েছে। গোটা মহারাষ্ট্রের মধ্যে মুম্বইতেও পরিস্থিতি রীতিমতো ভয়ংকর হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবারের রাতের রিপোর্ট অনুযায়ী শেষ ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১০ হাজার ৩০ জন। এই সময়ের মধ্যে বাণিজ্য নগরীতে মৃত্যু হয়েছে ৩১ জনের। পুণেতে আক্রান্তের সংখ্যাটা ৩১ হাজারের বেশি এবং মৃতের সংখ্যা ৩৪ জন।

পরিস্থিতির ওপর কাবু আনতে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে মুম্বই। সমস্ত বিচ, গার্ডেন ও পাব্লিক গ্রাউন্ড রাত ৮টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া উইকএন্ডে গোটা দিনই এই জায়গাগুলো বন্ধ থাকবে বলে খবর। অর্থাৎ শুক্রবার রাত ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৭টা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে এই জায়গাগুলি।

বিচ ও গার্ডেনগুলিতে করোনা বিধি সম্পর্কে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখবে সরকার। যদি অনুমতি প্রাপ্ত সময়ের মধ্যে ওই জায়গাগুলিতে বেশি লোকজনের ভিড় চোখে পড়ে এবং করোনা বিধি না মানা হয় তবে তখনই জায়গাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে। তাই এই জায়গাগুলির উপর স্থানীয় প্রশাসনকে নজর রাখতে বলা হয়েছে।

মহারাষ্ট্রে সপ্তাহান্তে লকডাউন চালু থাকবে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত। শুক্রবার রাত ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৭টা পর্যন্ত চলবে লকডাউন। লকডাউনে বন্ধ থাকবে মল, রেস্তোরাঁ, বার। ৪ জনের বেশি জমায়েত নিষিদ্ধ। তবে লকডাউন চলাকালীন শিল্প ও উত্পাদন ক্ষেত্র ও সবজি বাজারগুলি চালু থাকবে। যে নির্মাণক্ষেত্রগুলিতে শ্রমিকদের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে সেখানেও স্বাভাবিক পদ্ধতিতে কাজ চলতে পারে।

Post Bottom Ad