চুঁচুড়ার সভা থেকে শাহ ও লকেটকে এক বন্ধনীতে রেখে মমতার আক্রমণ - Nadia24x7

Breaking

Home Top Ad

Post Top Ad

Monday, April 5, 2021

চুঁচুড়ার সভা থেকে শাহ ও লকেটকে এক বন্ধনীতে রেখে মমতার আক্রমণ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে আক্রমণ করলরেন মমতা


 চুঁচুড়ার জনসভা থেকে ছত্তীসগঢ়ে সেনা মৃত্যুর জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে আক্রমণ করলরেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তৃণপমূল সুপ্রিমো বললেন, “জওয়ান মারা যাচ্ছে আর বাংলা দখলের জন্য দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলায় এসে বসে আছেন। বাংলার দুটো গদ্দার বিজেপিকে দিয়ে রাজ্য শাসন করাবে? আমি থাকতে সেটা হবে না। বিজেপিকে ভোট হারিয়ে মাঠের বাইরে বার করে দিন।”

এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “বাবুল সুপ্রিয় একদিন বলেছিল সারদা হচ্ছে রোজভ্যালির প্রথম রোজ। লকেট তো সারদার গলার লকেট,। লকেট হয়ে ঘুরে বেড়ায়। এদের বিরুদ্ধে কোনও কেস নেই, এরা এমপি হবে, এমএলএ হবে।”

এদিকে এই কথা শুনে লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। তাই তিনি একজন মহিলা হয়ে একজন মহিলাকে এসব বলছেন। তিনি এখনও মুখ্যমন্ত্রী। তাই তাঁর নামে এর বেশি কিছু বলবো না। আসলে উনি হেরে যাবেন। তাই তিনি এসব বলছেন।”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিল্পায়ন প্রসঙ্গে এদিন বলেন, “ডানলপের মালিক বিজেপি হয়ে গেছে। তাই তাঁকে কিছু বলা হয়না। আমি রাজ্যের তরফে ডানলপ অধিগ্রহণ করবো।”

সোমবার চুঁচুড়ার জনসভা থেকে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “বিজেপির প্রার্থী নেই বলে সাংসদকে এনে দাঁড় করাতে হয়েছে। ওরা সব টাকার জন্য বিজেপি করছে। বিজেপির কাজ তো টাকা ছড়ানো। হোস পাইপ দিয়ে যেমন জল ছড়ায় সেভাবে টাকা ছড়াচ্ছে।” এরপর সপ্তগ্রামের প্রার্থী তপন দাশগুপ্তর জন্য ভোট চাইতে গিয়ে মমমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “তপনকে ভুল বুঝবেন না। ও একটা ভুল করে ফেলেছে। আমি ওকে বুঝিয়ে দিয়েছি, কাউন্সেলিং করিয়েছি। আর ভুল করবে না। আপনারা ওকে ক্ষমা করে ভোটটা দিন। আমি তো জিতবই, কিন্তু সঙ্গে তপন এবং অন্য প্রার্থীরা জিতলে তবেই তো আমাদের শক্তি বাড়বে।”

চুঁচুড়ার সভা থেকে কার্যত হুঁশিয়ারির সুরে নেত্রী বললেন, “এই অবস্থায় কি ভোটটা ৩, ৪ দফায় করে নেওয়াই উচিত ছিল না? কিন্তু ৮ দফায় ভোট ঘোষণা করার পর এখন যদি করোনা পরিস্থিতি দেখিয়ে ভোট বন্ধ করার চেষ্টা করা হয়, তাহলে কিন্তু চলবে না। খেলা যখন শুরু হয়েছে তখন শেষ করতে হবে। তবে নির্বাচন যখন হচ্ছে, তখন তা নির্ধারিত সূচি মেনেই শেষ করতে হবে।” পাশাপাশি রাজ্যে বিনামূল্যে টিকাকরণের জন্য কেন্দ্রের কাছে আবেদন করেও সুরাহ মেলেনি বলে ফের সুর চড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ক্ষোভের সঙ্গে, “আমি তো বারবার চিঠি লিখেছিলাম। বলেছিলাম, আমার রাজ্যের সবাইকে বিনামূল্যে টিকা দেব। তার জন্য যত টাকা লাগে, তা দিয়ে কেন্দ্রের থেকে কিনে নেব। কিন্তু তোমরা তো দিচ্ছো না। তোমরা চাও, মানুষ মারা যাক।”

Post Bottom Ad