করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে উত্তাল দেশ, কাজ ছেড়ে ফের বাড়ির পথে পরিযায়ী শ্রমিকরা - Nadia24x7

Breaking

Home Top Ad

Post Top Ad

Monday, April 5, 2021

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে উত্তাল দেশ, কাজ ছেড়ে ফের বাড়ির পথে পরিযায়ী শ্রমিকরা

ফের ফিরছে দুঃসহ সেই স্মৃতি। করোনার (Coronavirus) দ্বিতীয় ঢেউ (Second Wave) আছড়ে পড়তেই বাড়ির পথে পা বাড়িয়েছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা (Migrant Worker)। দেশে করোনার প্রথম ঢেউ রোখা সম্ভব হয়েছিল প্রাথমিক অবস্থায়। কিন্তু ফের নতুন স্ট্রেনের (Corona New Strain) দাপট শুরু হয় মাস দেড়েক আগে। দিন কয়েকের মধ্যেই দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ে। তারপর থেকে এক মাস ধরে প্রায় প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে চলেছে করোনা আক্রান্তের (Corona Positive) সংখ্যা।

দেশের যে সমস্ত রাজ্য করোনা সংক্রমণের তালিকার প্রথমদিকে, তাঁর মধ্যে প্রথম স্থানেই মহারাষ্ট্র। রবিবার মহারাষ্ট্র সরকার জরুরি বৈঠক ডাকে। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছে, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামলাতে সপ্তাহান্তে (Weekend Lockdown) শুক্রবার রাত থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত লকডাউন জারি থাকবে রাজ্যে৷ সপ্তাহের বাকি দিনগুলিতেও মানতে হবে কড়া বিধিনিষেধ৷ পরিস্থিতি না বদলালে সেক্ষেত্রে আরও কঠিন পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়টিও স্পষ্ট করা হয়েছে। আর তাতেই সিঁদুরে মেঘ দেখছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা।

মহারাষ্ট্রের (পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার পর থেকেই একে একে হরে ফিরতে শুরু করেছেন প্রিজায়ী শ্রমিকরা। বিহার, উত্তরপ্রদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গ থেকে যে সব শ্রমিক কাজের জন্য মহারাষ্ট্রে পাড়ি দিয়েছিলেন করোনার প্রথম আঘাত সামলে নেওয়ার পর, সীমান্ত বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তাঁরা ঘরের পথে পা বাড়িয়েছেন। মহারাষ্ট্র প্রশাসনের তরফে জানা গিয়েছে, যে সমস্ত শ্রমিকরা লকডাউন উথে যাওয়ার পরে কাজে ফিরেছিলেন, তাঁরা মূলত রেস্তোরাঁ, কারখানা, নির্মাণ সংস্থায় কাজ করছিলেন। তাঁরা সকলেই একে একে পরিবার নিয়ে নিজেদের ঠিকানায় ফিরছেন। কেউ কেউ সাপ্তাহিক লকডাউন ঘোষণা হওয়ার পর প্রথম ট্রেনের জন্য অধীর অপেক্ষায় রয়েছেন।

নাসিকের একটি রেস্তোরাঁয় রাঁধুনির কাজ করতেন উত্তরপ্রদেশের কানপুরের বাসিন্দা রোশন কুমার সিং। লকডাউনের কথা ঘোষণার পরেই তিন সন্তান স্ত্রীকে নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন, সঙ্গে রয়েছেন সেই গ্রামের আরও বেশ কয়েকটি পরিবার। যারা কাজের জন্য নাসিকে অস্থায়ী সংসার পেতেছিলেন। রোশনের কথায়, "সীমান্ত বন্ধ হয়ে গেলে আগের বারের মতো গভীর সমস্যায় পড়তে হবে। সেই ঘটনার আর পুনরাবৃত্তি চাই না। ভাই থাকবে কাজের জন্য। কিন্তু ভাইয়ের পরিবার আর নিজের পরিবার নিয়ে গ্রামে ফিরে যাচ্ছি।"

Post Bottom Ad