কৃষকদের হিংসাত্মক বিক্ষোভ, আরও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের - Nadia24x7

Breaking

Home Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, January 27, 2021

কৃষকদের হিংসাত্মক বিক্ষোভ, আরও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

দিল্লি উত্তপ্ত। সাধারণতন্ত্র দিবসে যেভাবে ব্যারিকেড ভেঙে রীতিমতো হিংসাত্মক বিক্ষোভ দেখালেন কৃষকরা, তাতে বেশ উদ্বিগ্ন কেন্দ্রের মোদী সরকার। এরই প্রেক্ষিতে দিল্লি জুড়ে আরও বেশি পরিমাণে আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করতে ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে যাতে আর সমস্যায় পড়তে না হয়, সেজন্যই এই সিদ্ধান্ত। মঙ্গলবার রাতের দিকে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই বৈঠকেই অতিরিক্ত আধা সামরিক বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হতেই উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ৷ স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় ভাল্লা এবং দিল্লি পুলিশ কমিশনার এসএন শ্রীবাস্তব এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে৷ অমিত শাহকে এদিনের পরিস্থিতি সম্পর্কে জানানো হয় ৷ এদিনের বৈঠকে গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন অমিত শাহ। এই বিক্ষোভের সঙ্গে কারা কারা প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত রয়েছে, তা খুঁজে বের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দিল্লি পুলিশকে। দিল্লির স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে আরও বেশি পরিমাণে আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এক আধিকারিক জানিয়েছেন ঠিক কত পরিমাণে আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হবে, তা নির্দিষ্ট ভাবে জানানো হয়নি। তবে দিল্লিতে বর্তমানে ৪৫০০ জন আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন রয়েছেন। আরও ১৫০০-২০০০ অর্থাৎ ১৫ থেকে ২০ কোম্পানি আধা সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হতে পারে। দিল্লিতে প্রজাতন্ত্র দিবসে দফায়-দফায় সংঘর্ষ চলে। পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধে মৃত্যু হয় এক কৃষকের। খণ্ডযুদ্ধ চলাকালীন ট্র্যাক্টরটি উল্টে ওই কৃষকদের মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছে। এএনআই-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, হাজার-হাজার বিদ্রোহী কৃষক ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের জেরে দিল্লির বিভিন্ন অংশে ও সংলগ্ন এলাকায় সাময়িক ভাবে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়।


তবে কৃষকদের অভিযোগ, দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গে ঢোকার মুখে আন্দোলনকারীদের বাঁধা দিতে গুলি চালায় পুলিশ। গুলি লেগেই ট্রাক্টরটি উল্টে যায়। ট্রাক্টরের নীচে চাপা পড়েই মৃত্যু হয় ওই কৃষকের। পুলিশ সিঙ্ঘু, তিকরি এবং ঘাজিপুর সীমান্তে আন্দোলনরত কৃষকদের নির্দিষ্ট রুট ধরে ট্রাক্টর ব়্যালি করার অনুমতি দিলেও সংঘর্ষ এড়ানো যায়নি।

Post Bottom Ad