চিনে এবার বিউবোনিক প্লেগে ব্যক্তির মৃত্যু - Nadia24x7

Breaking

Home Top Ad

Post Top Ad

Saturday, August 8, 2020

চিনে এবার বিউবোনিক প্লেগে ব্যক্তির মৃত্যু


একেই হয়তো বলে গোদের উপর বিষফোঁড়া। করোনা ভাইরাসের মারণলীলায় এমনতিতেই বিধ্বস্ত গোটা বিশ্ব। এরমধ্যেই চিনে এবার হানা বিউবোনিক প্লেগের। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই বিউবোনিক প্লেগে মৃত্যু হয়েছে এক ব্যক্তির। গোটা গ্রাম লকডাউন করা হয়েছে।

 

চিনের উত্তরাঞ্চলের ইন্নার মঙ্গোলিয়া এলাকায় সুজি জিনকান গ্রামে গত বৃহস্পতিবার এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। মৃত্যুর আগে ধরা পড়ে ওই ব্যক্তি বিউবোনিক প্লেগে আক্রান্ত। এরপরই ওই গ্রাম লকডাউন করে দেয় সেখানার স্থানীয় প্রশাসন।

 

বাউতো পুরসভা স্বাস্থ্য বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে, গ্রামটি লকডাউন করে দেওয়া হয়েছে। মৃত ব্যক্তির বাড়ি ছাড়াও চারপাশে জীবাণুমুক্ত করার কথা বলেছে চিন সরকার। মৃতের পরিবারের ৯ সদস্যকে কোয়ারান্টিনে থাকতে বলা হয়েছে। গত কয়েকদিনে ওই পরিবারের সংস্পর্শে যাঁরা এসেছেন, তাঁদেরও খোঁজ চলছে। বেশ কয়েকজনের পরীক্ষাও করা হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত ওই গ্রামে আর কারও বিউবোনিক প্লেগে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

 

এর আগে গত ডিসেম্বরের শেষদিকে চিনের উহান শহরে প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর অস্তিত্ব মেলে। একজনের শরীর থেকে ছড়িয়ে পড়া এই মারণ ভাইরাস আজ গোটা বিশ্বকে বিধ্বস্ত করে তুলেছে। মারণ ভাইরাস প্রতিরোধে অকাতর পরিশ্রম করছেন বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা। কীভাবে এই মারণ ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায় চলছে নানা পরীক্ষা। সরকারের তরফে এই ভাইরাসকে প্রতিরোধে লকডাউন সহ সম্ভবপর নানা ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তবুও ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির গ্রাফ। ইতিমধ্যেই করোনা কেড়ে নিয়েছে বহু মানুষের প্রাণ।

 

শনিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে এখনও পর্যন্ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০,৮৮,৬১১। তার মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১৪,২৭,০০৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪২,৫১৮ জনের। অর্থাৎ, দেশে করোনা অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৬,১৯,০৮৮।

 

করোনা ভাইরাসের মারণলীলার মধ্যে কয়েকদিন আগে চিনের জিয়াংসু প্রদেশে ও আনহুই প্রদেশে হানা দিয়েছে আরও এক ভয়ানক ভাইরাসজনিত রোগ। রোগটিকে বলা হচ্ছে সিভিয়ার ফিভার ইউথ থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া সিনড্রোম বা এসএফটিএস। এরই মধ্যেই সাতজন প্রাণ হারিয়েছেন। আক্রান্ত আরও ৬০ জন। চিনের ভাইরাস বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এসএফটিএস ভাইরাস আদতে নতুন ভাইরাস নয়। ২০১১ সালেই এই ভাইরাসের প্যাথোজেনকে পৃথক করা হয়। এটি বুনিয়াভাইরাস-এর ক্যাটেগরিতে পড়ে। তবে, মানুষ থেকে মানুষের শরীরে সংক্রামিত হওয়ার আশঙ্কা একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছেন না তাঁরা। তবে এই বুনিয়াভাইরাস নিয়ে এখনই আতঙ্কিত হয়ে পড়ার মতো কিছু হয়নি বলেও জানিয়েছেন তাঁরা।

Post Bottom Ad