করোনা ভ্যাকসিন তৈরির দৌড়ে এগিয়ে দেশেরই সাতটি সংস্থা, সাফল্যের আশায় দেশবাসী - Nadia24x7

Breaking

Home Top Ad

Post Top Ad

Tuesday, July 21, 2020

করোনা ভ্যাকসিন তৈরির দৌড়ে এগিয়ে দেশেরই সাতটি সংস্থা, সাফল্যের আশায় দেশবাসী


গোটা বিশ্বে ভয়াবহ হয়ে উঠেছে করোনা ভাইরাস। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যু। গোটা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বিজ্ঞানীরা করোনার ভ্যাকসিন তৈরির জন্য রাত দিন এক করে কাজ করছেন। করোনার ভাইরাস তৈরির দিক দিয়ে সাফল্যের প্রায় দোরগোড়ায় অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি। আমেরিকার গবেষণা সংস্থা মডের্না দাবি করেছে, তাঁদের তৈরি করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম পর্যায়ের ট্রায়াল সফল হয়েছে।

 

আগামী ২৭ জুলাই এই ভ্যাকসিনটির চূড়ান্ত পর্যায়ের পরীক্ষা হবে। অন্যদিকে রাশিয়ার মস্কোর সেচেনভ বিশ্ববিদ্যালয় দাবি করেছে, মানব শরীরে করোনার ভ্যাকসিনের প্রয়োগ সফল হয়েছে। এদিকে ভারত বায়োটেকের তৈরি ‘কোভ্যাক্সিন’ও আশার আলো দেখাচ্ছে। তবে শুধু ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন নয়, করোনা প্রতিষেধক তৈরির দৌড়ে দেশের ৭ টি সংস্থা এগিয়ে রয়েছে। জেনে নিন বিস্তারিত।

 

ভারত বায়োটেকের ওষুধ ‘কোভ্যাক্সিন’ সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি। এই ভ্যাকসিন নিয়ে গবেষণা অনেকটাই এগিয়েছে, হিউম্যান ট্রায়াল শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রথম পর্যায়ের হিউম্যান ট্রায়ালে ৩৭৫ জন স্বেচ্ছাসেবীর শরীরে এই ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। সাফল্যে এলেই দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে যাবে ভারত বায়োটেক। বিশ্বের বৃহত্তম প্রতিষেধক প্রস্তুতকারী সংস্থা সেরাম ইনস্টিটিউট চলতি বছরের শেষের দিকে করোনার প্রতিষেধক বাজারে আনার ব্যাপারে আশাবাদী।

 

তাঁদের তৈরি ওষুধ AstraZeneca এর হিউম্যান ট্রায়াল আগামী মাসেই শুরু হতে পারে। বায়োলজিক্যাল ই সংস্থাটি বেশ কিছুদিন ধরে করোনার টিকা তৈরির চেষ্টা করছে। এদের তৈরি ওষুধও প্রি-ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে রয়েছে। জুদাস ক্যাডিলার দেশিয় প্রযুক্তিতে তৈরি ওষুধ ZyCov-D এর ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হয়েছে। জুদাস ক্যাডিলার দাবি, আগামী ৭ মাসের মধ্যে বাজারে চলে আসবে তাঁদের তৈরি করোনার প্রতিষেধক। মিনভ্যাক্স সংস্থাটির তৈরি ওষুধ এখন প্রি-ক্লিনিক্যাল পর্যায়ে রয়েছে।

 

করোনার টিকা আবিষ্কারের লক্ষে সরকারে কাছে এরা ১৫ কোটি টাকা সাহায্য চেয়েছে। আয়ারল্যান্ড এবং আমেরিকার সংস্থা রেফানার সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে করোনার টিকা প্রস্তুত করার চেষ্টা করছে প্যানেনকা বায়োটেক। জানা গিয়েছে, এরা মোট ৫০ কোটি প্রতিষেধকের ডোজ তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে। এর মধ্যে আগামী বছরের বাজারে আসবে ৪০ কোটি। ইন্ডিয়ান ইমিউনোলজিক্যাল ভ্যাকসিন, এটি একটি সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত সংস্থা। অস্ট্রেলিয়ার গ্রিফিথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে করোনার ওষুধ তৈরির চেষ্টা করছে।

Post Bottom Ad