Tuesday, July 21, 2020

অবশেষে ভ্যাকসিন নিয়ে অক্সফোর্ড থেকে এল বড় সুখবর


যত দিন যাচ্ছে কত ভয়ঙ্কর হচ্ছে এই নোভেল করোনা ভাইরাস (COVID-19)। সরকারের সমস্ত রকম প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে সংক্রমণ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। প্রত্যেকদিন এ সংক্রমণের নিরিখে নতুন নতুন রেকর্ড গড়েছে এই করোনা ভাইরাস। সারা দেশজুড়ে ইতিমধ্যেই মোট করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে 11 লক্ষ 18 হাজার 43 জন। যাদের মধ্যে ইতিমধ্যেই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন 7 লক্ষ 87 জন। আর এই মরণ ভাইরাস COVID-19 এর জন্য প্রাণ হারিয়েছেন মোট 27 হাজার 497 জন।

 

গত 24 ঘন্টায় দেশজুড়ে নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন মোট 40 হাজার 425 জন। আর গত 24 ঘন্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন 22 হাজার 664 জন। আর গত 24 ঘন্টায় প্রাণ হারিয়েছেন 681 জন। তবে যেদিন থেকে করোনা ভাইরাসের উৎপত্তি হয়েছে সেই দিন থেকেই ভ্যাকসিন বানানোর প্রস্তুতি চলছে। তবে এখনো সম্পূর্ণরূপে সফল হয়নি ভ্যাকসিন তৈরীর কাজ। তবে অক্সফোর্ডের গবেষণা অনুসারে রিপোর্ট এসেছে তাতে ভ্যাকসিন তৈরীর প্রাথমিক কাজ প্রায় সফল বললেই চলে।

 

তাই অক্সফোর্ড ভ্যাকসিনের দিকে সকলের নজর এখন। অক্সফোর্ডের গবেষণা অনুসারে যে রিপোর্ট এসেছে তাতে জানা গিয়েছে যে, এই ভ্যাকসিন সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং এর কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। এছাড়াও এই ভ্যাকসিন প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলছে বলে জানা গিয়েছে। সোমবার এ বিষয়ে অক্সফোর্ডের গবেষকরা জানিয়েছেন যে, ‘chAdOx1 nCoV-19 নামে ওই ভ্যাকসিনের সেফটি প্রোফাইল আছে। এছাড়াও এই ভ্যাকসিন অ্যান্টি বডি রেসপন্স বাড়াতে সক্ষম।’

 

জানা গিয়েছে এই ভ্যাকসিন এর দুটি পর্যায়ে ট্রায়াল হবে। এই ট্রায়াল ছিল প্রথম পর্যায়ের ট্রায়াল। ‘দ্য ল্যান্সেট’ নামক একটি বিদেশী পত্রিকায় এই রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। এই পত্রিকার এডিটর রিচার্ড হর্টন ট্যুইট করে জানিয়েছেন যে, প্রথম পর্যায়ে ট্রায়াল সফল হয়েছে এবং এই ভ্যাকসিন এর কোন প্রতিক্রিয়া নেই। chAdOx1 nCoV-19 এই ভ্যাকসিন সম্পর্কে গবেষকরা জানিয়েছেন যে, এর কোন বিপদজনক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। এই ভ্যাকসিন মানব দেহে যে ইমিউন সিস্টেম তৈরি করছে তা এই ভাইরাসকে দীর্ঘদিনের জন্য মনে রাখবে।

 

তাই এই ভ্যাকসিন এর কার্যকারিতা অনেক দিন থাকবে। তবে এই ভ্যাকসিন করোনাভাইরাস থেকে কতখানি নিরাপত্তা দিতে পারে বা কতদিনের জন্য মানুষ নিরাপদ থাকবে সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি। মানবদেহে পরীক্ষা করার আগে এই ভ্যাকসিন শুয়োরের দেহে পরীক্ষা করা হয়। সেখানে এই ভ্যাকসিন কার্যকরী হয়েছে। ওই রিপোর্টে আরও জানা গিয়েছে যে, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং ওষুধ উৎপাদনকারী সংস্থা অ্যাস্ট্রাজেনেকারের যৌথ উদ্যোগে করণা ভাইরাসের টিকা তৈরি করার প্রকল্পটির চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।

 

এ সম্পর্কে হু জানিয়েছে যে, করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরীর কাজে অক্সফোর্ড এগিয়ে রয়েছে। সম্প্রতি গতবছর চীন থেকে ছড়িয়ে পড়ে এই করোনা ভাইরাস। এরপর এই ভাইরাস সারা বিশ্বজুড়ে মহামারির আকার ধারণ করে। বর্তমানে এখন সবথেকে বেশি করোনা সংক্রমণ এবং করোনার ফলে মৃতের সংখ্যা আমেরিকাতেই বেশি। এরপরে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ব্রাজিলের নাম।

 


SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.