করোনা আবহে আরও এক ভয়ঙ্কর রোগের হানা, ভারতের গুজরাতে মিলল প্রথম আক্রান্ত - Nadia24x7

Breaking

Home Top Ad

Post Top Ad

Saturday, July 25, 2020

করোনা আবহে আরও এক ভয়ঙ্কর রোগের হানা, ভারতের গুজরাতে মিলল প্রথম আক্রান্ত


বর্তমানে করোনা ভাইরাসের কারনে সারা দেশজুড়ে সংকটজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। যত দিন যাচ্ছে দ্রুতগতিতে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। মৃতের সংখ্যাও বাড়ছে দিন দিন। গত কয়েকদিন ধরেই 40 হাজারেরও বেশি মানুষ করোনাতে আক্রান্ত হয়েছেন। আর এখনও পর্যন্ত মোট 12 লক্ষ মানুষ করোনাতে আক্রান্ত হয়েছেন। মৃতের সংখ্যা 30 হাজারের গণ্ডি পেরিয়ে গেছে ইতিমধ্যেই। একেই মানুষজন করোনা নিয়ে চিন্তিত তারপর আবার আরেকটি অন্য রোগ দেখা দিল মানব দেহে।

 

এই নতুন রোগটির নাম হল মাল্টি সিস্টেম ইনফ্লেমেটরি সিনড্রম (Multisystem Inflammatory Syndrome) বা MIS-C ও বলা হয়। সম্প্রতি ইউরোপ এবং আমেরিকাতে এই রোগে বহু মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। ভারতে এই রোগের খোঁজ পাওয়া যায়। এই রোগে ভারতের প্রথম আক্রান্ত গুজরাতের সুরাত থেকে। জানা গিয়েছে মাত্র দশ বছরের শিশুর মধ্যে এই রোগের উপসর্গ দেখা গিয়েছে। পরিবারের সদস্যের তরফ থেকে জানা গিয়েছে যে প্রথমে বাচ্চাটির বমি হচ্ছিল।এরপর কাশি এবং ডায়রিয়া হয়।

 

এরপর ধীরে ধীরে বাচ্চাটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে দেখে তার পরিবারের লোকজন হাসপাতালে ভর্তি করেন বাচ্চাটিকে। এরপর ধীরে ধীরে বাচ্চাটির ঠোঁট এবং চোখ লাল হতে শুরু করে। এরপর সে হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন যে, বাচ্চাটির শরীরে এই মাল্টি সিস্টেম ইনফ্লেমেটরি সিনড্রোম এর উপসর্গ রয়েছে। এছাড়াও ওই চিকিৎসক আরও জানিয়েছেন যে, বাচ্চাটির হাট শুধু মাত্র 30% ব্লাড পাম্প করতে পারছে। এর ফলে হাতের শিরাও ফুলে গিয়েছে বাচ্চাটির। এরপর সাত দিন ধরে চিকিৎসা চলার পর বাচ্চাটি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে গেলে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

 

কিন্তু এই মাল্টি সিস্টেম ইনফ্লামেটরি সিনড্রোম বা MIS-C আসলে কী সেই বিষয়ে এখন রিসার্চ শুরু শুরু করা হয়েছে। জানা গিয়েছে এই বছরের মে মাসে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফ থেকে এ বিষয়ে মানুষকে সতর্ক করা হয়েছিল। এই রোগের লক্ষণ গুলি হল,
1. 0-19 বছর বয়সের মধ্যে তিন দিনের বেশি দিন ধরে জ্বর।
2. শরীরের মধ্যে দানা দানা বেরোনো এবং হাত ও পা ফুলে যাওয়া।
3. ডায়রিয়া এবং পেটে ব্যথা শুরু হওয়া।
4. রক্তচাপ কমে যাওয়া।
এই সমস্ত লক্ষণগুলি যদি আপনার শরীরে দেখা দেয় তাহলে দেরি না করে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

 


Post Bottom Ad