পেশাগত শত্রুতাই কী মৃত্যুর কারণ! তদন্ত করবে মুম্বাই পুলিশ.. - Nadia24x7

Breaking

Home Top Ad

Post Top Ad

Tuesday, June 16, 2020

পেশাগত শত্রুতাই কী মৃত্যুর কারণ! তদন্ত করবে মুম্বাই পুলিশ..


বলিউড অভিনেতা সুশান্ত এর মৃত্যুর পর থেকে একের পর একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তার মৃত্যুর পেছনে আসল কারণ কী মানসিক অবসাদ,না অন্যকিছু সে বিষয়ে রয়েছে প্রশ্ন। আর সুশান্তের পরিবারের লোক জনেরা তো একথা কোনো মতেই মেনে নিতে পারছেন না যে সুশান্ত আত্মহত্যা করতে পারে বলে। তাদের দাবী আত্মহত্যা নয় বরং তাকে পরিকল্পিত ভাবে খুন করা হয়েছে। তবে সকলের মনেই এ প্রশ্ন নাড়া দিয়েছে কীভাবে একজন এত সফল নায়ক, এত কম বয়সে পৃথিবী থেকে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন?

 

যদিও আপাতত পোস্টমর্টেম রিপোর্টের মাধ্যমে যে তথ্য বেরিয়ে এসেছে সেখানে মৃত্যুর কারণ আত্মহত্যা বলা হয়েছে। তবে এই আত্মহত্যার পিছনে কী কারো হাত ছিল, তা নিয়ে করা হচ্ছে এখন তদন্ত। সুশান্তের মৃত্যুর পিছনে কী কোন পেশাগত শত্রুতা ছিল, তা খতিয়ে দেখা হবে জানিয়েছে মহারাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল দেশমুখ। তিনি জানিয়েছেন মুম্বাই পুলিশ এ বিষয়ে তদন্ত করবে। এ বিষয়টি নিয়ে তিনি একটি টুইট ও করেন যেখানে তিনি লিখেন, পোস্টমর্টেম রিপোর্ট বলছে সুশান্ত সিং রাজপুত আত্মহত্যা করেছে গলায় ফাঁস লাগিয়ে।

 

কিন্তু যেখানে একাধিক মিডিয়া রিপোর্ট জানিয়েছে সুশান্তের ক্লিনিক্যাল ডিপ্রেশন এর পিছনে ছিল পেশাগত শত্রুতা। এ বিষয়ে মুম্বাই পুলিশ তদন্ত করবে। তবে মুম্বাই পুলিশের তরফ থেকে যে খবর প্রকাশিত করা হয়েছে সেখানে জানানো হয়েছে গত তিন মাস ধরে বাড়িতে নিজেকে বন্দী রেখেছিলেন এই অভিনেতা। তবে সুশান্তকে খুনের তত্ত্ব উড়িয়ে দিয়েছে পুলিশ। তাছাড়া এইদিন চিকিৎসকের তরফ থেকে প্রভিশনাল ময়নাতদন্তের রিপোর্ট জমা পড়েছে বান্দ্রা পুলিশ স্টেশনে। এখানে প্রাথমিক রিপোর্টের মাধ্যমে জানা যাচ্ছে অ্যাসফিকসিয়া-র ফলেই সুশান্তের মৃত্যু হয়েছে।

 

যেখানে তিন জন চিকিৎসকের একটি টিম সুশান্তের দেহের ময়নাতদন্ত করেছে। আর এই যে অ্যাসফিকসিয়া রয়েছে টি মূলত গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করার ফলে হয়ে থাকে। গত রবিবার দিন তিন ঘণ্টা ধরে করা হয়েছে ময়নাতদন্ত এবং গোটা প্রক্রিয়ার বিষয়টি রেকর্ডিং করা হয়েছে, তাছাড়া গলা জুড়ে শক্ত বাঁধনের দাগও স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। তবে প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যার লক্ষণগুলি দেখা যাচ্ছে একথা রবিবার দিন এক রিপোর্টে জানায় পুলিশ। তবে এখনো এই বিষয় নিয়ে তদন্ত চলছে।

Post Bottom Ad