Sunday, April 19, 2020

মহামারীর মধ্যেই পৃথিবীর যমজ বোনকে খুঁজে বের করল নাসা



সারা বিশ্ব এখন ব্যস্ত করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকানোর জন্য। তবুও কিন্তু থেমে নেই বিজ্ঞান। একদিকে যেমন বিশ্ব মহামারী নিয়ে ব্যস্ত সারাবিশ্ব অপরদিকে নাসার তরফ থেকে দাবি করা হয়, অবশেষে দ্বিতীয় পৃথিবীর খোঁজ পেয়েছে তারা। এই দ্বিতীয় পৃথিবীতে নাকি আকারে একদম পৃথিবীর মতো। নাসার কেপলার স্পেস টেলিস্কোপ থেকে বিজ্ঞানীদের এই তথ্য দেওয়া হয়েছে। আর সেখানেই নাকি এই গ্রহের খোঁজ পাওয়া গেছে।

মহাকাশবিদরা নাকি জানাচ্ছেন এই গ্রহে রয়েছে হ্যাবিটেবল জোন। এই হ্যাবিটেবল জোন হল একটি পাথরে গ্রহের সেই অংশ যেখানে জল ধারণ ক্ষমতা রয়েছে। নাসা বিজ্ঞানীদের দাবি পৃথিবী থেকে নাকি 300 আলোকবর্ষ দূরে এই গ্রহটি রয়েছে। নাসার কেপলার টেলিস্কোপের নাকি যে সমস্ত গ্রহ দেখতে পাওয়া গেছে তাদের এই গ্রহটির সব থেকে বেশি পৃথিবীর সঙ্গে মিল রয়েছে। এই গ্রহটি পৃথিবী থেকে মাত্র 1.06 গুন বড়।বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, পৃথিবীতে যতটা পরিমাণ সূর্যের আলো পৌঁছায়, নতুন এই গ্রহের তার নক্ষত্র থেকে সেই আলোর 75 ভাগ আলো পৌঁছায়।

সম্প্রতি 2018 সালে কেপলার টেলিস্কোপের তার নিজের কাজ শেষ করেছে। যদি আরও নিখুঁতভাবে বলা যায় তাহলে 2013 সালের পর থেকে এই কেপলার টেলিস্কোপের মহাকাশ থেকে আর কোনো তথ্য পাঠায় নি। নাসার বিজ্ঞানীরা সম্পর্কে জানিয়েছেন, এর আগেও এই ছবি দেখা গিয়েছিল কিন্তু সেই সময় গ্রহের চিহ্নিতকরণের ক্ষেত্রে কিছু সন্দেহ ছিল। এর পর আবার খতিয়ে দেখা হয়। অবশেষে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হতে পারেন যে ওখানে একটি গ্রহ রয়েছে।

গত জানুয়ারি মাসে, মার্কিন মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসায় ইন্টার্নশিপ করতে আসা এক 17 বছর বয়সী শিক্ষার্থী পৃথিবী থেকে বহুদূরে একটি গ্রহের খোঁজ দিয়েছিল। এরপর নাসার ট্রানজিটিং এক্সোপ্ল্যানেট (টিইএসএস) একটি মিশনে উলফ কুকিয়ার নামের ওই শিক্ষার্থী এই গ্রহটি আবিষ্কার করেন বলে এএনআইয়ের একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। এছাড়াও নাসার এই মিশন আমাদের সৌরজগৎ ছাড়া আরও অন্যান্য গ্রহের খোঁজ পেতে সাহায্য করেছে।

SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.