Sunday, April 26, 2020

করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কারে কোটি কোটি টাকা ব্যায় হচ্ছে, কিন্তু ফলের কোনও নিশ্চয়তা নেই



আবিষ্কার করতেই হবে করোনার ভ্যাকসিন৷ না হলে উপায় নেই৷ এইভাবে চোখের সামনে অসংখ্য মানুষকে মরে যেতে দেখতে হবে৷ তাই আপাতত বিভিন্ন দেশ এবং ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি প্রাণপনে চেষ্টা চালাচ্ছে এই ভ্যাকসিন তৈরির৷ খরচ হচ্ছে কোটি কোটি টাকা৷ কিন্তু তার ফল মিলবে কিনা তা নিয়ে কোনও নিশ্চয়তা নেই৷ অনেকেই নেমে পড়েছে করোনার বিরুদ্ধে এই লড়াইয়ে, তবে শেষ পর্যন্ত সাফল্য আসবে কিনা, তা নিয়ে কেউই সঠিকভাবে বলতে পারছেন না৷

মার্কিন সরকারের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে জনসন এন্ড জনসন নেমে পড়েছে এই লড়াইয়ে৷ তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে ঝুঁকি নিতেই হবে৷ ইতিমধ্যেই প্রায় সাড়ে হাজার কোটি টাকা অর্থ ব্যায় হয়েছে ভ্যাকসিনের গবেষণায়৷ তাই এই গবেষণা বিফলে গেলে খুবই খারাপ হবে বলে জানিয়েছেন জনসন এন্ড জনসনের প্রধান বৈজ্ঞানিক অফিসার৷

এর আগে দেখা গিয়েছে যে বছরের পর বছর গবেষণা করে সফল হওয়া ভ্যারসিন বাজারে এসেছে মাত্র শতাংশ৷ কিন্তু এক্ষেত্রে ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যেই লক্ষ লক্ষ ডোজ ভ্যাকসিনেক প্রয়োজন৷ না হলে কোথায় যে দাঁড়াবে মৃত্যুর সংখ্যা তা বোঝাই যাচ্ছে না৷

সে কারণে ঝুঁকি নিয়ে হলেও গবেষণায় উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে৷ এতে শুধু করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরি নয়, যাতে দ্রুত তা বিশ্ববাজারে ছড়িয়ে দেওয়া যায়, তারই চেষ্টা চলছে৷ প্রাথমিকভাবে বিশ্বজুড়ে প্রায় ১০০ ভ্যাকসিন তৈরির কাজ চলছে৷ কিন্তু তার মধ্যে হাতে গোনা কয়েকটিতে সাফল্য এসেছে ধীরেধীরে৷ তবে তা এখনও মানবদেহে পরীক্ষা বাকি৷ আবার অনেকক্ষেত্রে তা একেবারে বিফল হয়েছে৷

এই দৌড়ে যে যে বিশ্বখ্যাত সংস্থাগুলি রয়েছে যেমন জনসন এন্ড জনসন বা গ্ল্যাক্সোস্মিথ, তারা জানিয়েছেন যে ভ্যাকসিন আবিষ্কার হলেই তা প্রথমে বাজারে ছেড়ে দেওয়া হবে৷ এবং দামও রাখা হবে খুবই যুক্তিসঙ্গত৷ প্রাথমিক স্তরে মুনাফার কথা ভাববে না তারা৷

স্বাস্থ্যকর্মী, বয়স্ক মানুষ বা যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাদের প্রথম দেওয়া হবে এই ভ্যাকসিন৷


SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.