Friday, April 10, 2020

এখন জ্বর হলেই খবর পৌঁছে যাবে সরকারের কাছে নতুন মোবাইল অ্যাপ চালু করল মমতা সরকার


করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকানোর জন্য সারা দেশজুড়ে চলছে 21 দিনের লকডাউন। কিন্তু পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক না হওয়ায় বাড়তে পারে লকডাউন এর সময়সীমা এমনটাই মনে করছেন অনেকেই। যেহেতু সারাদেশের লকডাউন চলছে তাই সারা দেশের মানুষ এখন গৃহবন্দী। অনেকেই বাড়িতে বসেই অফিসের কাজ সারছেন আবার একটা অংশ পুরোপুরি কর্মহীন হয়ে পড়েছে। আর এমন একটা কঠিন পরিস্থিতি কাজের সুযোগ করে দিল রিলায়েন্স জিও।

এবার থেকে অন্য জিও গ্রাহকের মোবাইলে রিচার্জ করে দিলে হাতেনাতে পাওয়া যাবে কমিশন। আর এতে কিছুটা হলেও সাধারন মানুষের সুবিধা হবে বলে মনে করেছে রিলায়েন্স। কিছুদিন আগেই রিলায়েন্স জিও তরফ থেকে JioPOS Lite নামের একটি অ্যাপ আনা হয়েছিল।এই অ্যাপটি তারা একজন জিও গ্রাহক অন্য গ্রাহকের মোবাইল নাম্বারে রিচার্জ করে দিতে পারবেন। তবে এর জন্য গ্রাহককে আগে রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ করতে হবে। তবে এই অ্যাপে রেজিস্ট্রেশন করার জন্য কোন তথ্য বা নথি জমা দিতে হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে জিও তরফ থেকে।


করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে প্রথম থেকেই তৎপর রাজ্য সরকার। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে আরও একটি পদক্ষেপ নেওয়া হলো। কোথাও যদি কারও জ্বর হয় তাহলে সরাসরি খবর চলে যাবে রাজ্য সরকারের কাছে। এর জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফ থেকে আনা হয়েছে একটি নতুন মোবাইল অ্যাপ। এই অ্যাপটির নাম দেওয়া হয়েছেসন্ধানে আশা কর্মীদের প্রত্যেক জনের কাছে এই অ্যাপটি ইন্সটল থাকবে। বৃহস্পতিবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিল্প বাণিজ্য সভার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন।


এই বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই নতুন অ্যাপ এর কথা বলেন।ইতিমধ্যে সরকারের তরফ থেকে রাজ্যের সাতটি জায়গাকে হট স্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যেখানে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেশি বা করোনায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও কোথাও কোনো নতুন করে করোনাতে আক্রান্ত হয়েছে কিনা তার খবর সরকার দ্রুত পেতে চাই। আর এই কারনেই চালু করা হয়েছে এই নতুন অ্যাপটি।যেহেতু এই অ্যাপটির দরুন সরকার খবর পেয়ে যাবে কোথায় কার জ্বর হয়েছে এর ফলে সরকার সিদ্ধান্ত নিতে পারবে কাকে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠাতে হবে আর কাকে আইসোলেশনে।


এই বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, আশা কর্মীদের প্রত্যেকের মোবাইলে এই অ্যাপটি থাকবে। এবং কোথায় কার জ্বর হচ্ছে তার খবর সরাসরি সরকারের কাছে পৌঁছে যাবে এই অ্যাপটির মাধ্যমে।
এর আগে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকেআরোগ্য সেতুনামে একটি অ্যাপ আনা হয়েছে। এই অ্যাপটির ফলে সাধারণ মানুষ বুঝতে পারবে যে তারমধ্যে করোনাতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কতটা রয়েছে। এবং আপনার আশেপাশে কোন ব্যাক্তি করো না আক্রান্ত কিনা তারও ইঙ্গিত দেবে এই আরোগ্য সেতু অ্যাপটি।


সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এরাজ্যে এই মুহূর্তে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে 40 জন। এবং গত 24 ঘন্টায় নতুন করে করোনাতে আক্রান্ত হয়েছে 12 জন। রাজ্যের 11 টি পরিবার থেকে মোট কতজন মানুষ করোনাতে আক্রান্ত হয়েছে। এই ভাইরাস আমাদের রাজ্যে পাঁচজনের প্রাণ কেড়েছে। এরপর তিনি আরো বলেন, এই মুহূর্তে গোটা রাজ্যে 562 সেন্টারে মোট 4717 জন সরকারি কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে। এবং কোয়ারেন্টাইনের সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যে আরো নতুন করে 61 কোভিড হাসপাতাল তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এবং রাজ্যে এখনও পর্যন্ত 1886 টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.