Friday, April 10, 2020

নিজের সংসদীয় এলাকায় খাবারের প্যাকেট বিতরণ সাংসদ মিমি


দেশজুড়ে এখনলকডাউন এক কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে চলছে গোটা দেশ। আতঙ্কের নাম করোনা। COVID-19 মোকাবিলায় যেভাবে চিকিৎসকদের পাশাপাশি পুলিশেরাও ঝাঁপিয়ে পড়েছেন, তা সত্যিই সাধুবাদ জানানোর মতো। লকডাউনের জেরে তিলোত্তমার কলকাতার রাজপথও শুনশান। জরুরি পরিষেবার ছাড়া রাস্তায় দেখা নেই কোনও গাড়ির। সাদা উর্দিতে শহরজুড়ে মোতায়েন রয়েছেন হাজারো পুলিশ। মুখে মাস্ক, হাতে স্যানিটাইজার। গোটা শহর যখন সচেতনতার চাদরে মুড়েছে তখন ওঁদের কিন্তু ছুটি নেই। বিরাম নেই। কর্তব্যে অবিচল। কখনও কোনও রোগিকে হাসপাতাল পৌঁছে দিচ্ছেন তো আবার কখনও বা কোনও সার্জেন্টকে দেখা যাচ্ছে অভুক্ত বয়স্কের মুখে খাবার তুলে দিতে। দেশের স্বার্থে, দশের স্বার্থে উদয়াস্ত কর্তব্যে অবিচল থাকা সেই পুলিশদেরই সাধুবাদ জানালেন যাদবপুরের সাংসদ তথা টলিউড অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী।

নিজের সংসদীয় এলাকার কর্তব্যরত পুলিশদের হাতে তুলে দিলেন কেক-বিস্কুটের প্যাকেট এবং জলের বোতল। নিজে কোয়ারেন্টাইনে থেকেও তাঁর দলের কর্মীদের পাঠালেন সাংসদ। এপ্রসঙ্গে মিমির মন্তব্য, “করোনা ভাইরাসের জন্য লকডাউন গোটা দেশ। মারণ এই ভাইরাসের মোকাবিলায় লকডাউনকে সফল করতে রাস্তায় নেমে দিনরাত নিরলস পরিশ্রম করে চলেছেন পুলিশ প্রশাসন। আর সেই পুলিশ প্রশাসনের সাহায্যের জন্য আমরা সর্বদা রয়েছি। একেই গরম। তার উপর প্রাণপাত করে সর্বদা কর্তব্যরত। তাই সমগ্র যাদবপুর লোকসভার কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীদের হাতে জল, বিস্কুট কেকের প্যাকেট তুলে দিল আমার লোকেরা।পুলিশদের উদ্দেশে মিমি বলেন, “আশা করি আপনারা এভাবেই সবাই সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন আর সুরক্ষা করতে থাকুন সকলের নিরাপত্তা।

করোনা মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই নিজের সাংসদ তহবিল থেকে ৫০ লক্ষ এবং ব্যক্তিগতভাবে লক্ষ টাকা মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে দান করেছেন যাদবপুরের তারকা সাংসদ। COVID-19-এর সঙ্গে লড়াই করতে নিজের এলাকায় একটি টিমও গঠন করেছেন সাংসদ মিমি। যাঁরা প্রত্যহ প্রতিটা মুহূর্তে এলাকাবাসীর সুবিধে-অসুবিধের দিকে নজর রাখছেন। দুস্থদের হাতে রেশন বিলি থেকে পথ কুকুরদের খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা, হোয়াটসঅ্যাপে প্রেসক্রিপশন পাঠালেই বাড়িতে ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার মতো একাধিক অভিনব ব্যবস্থা করেছেন সাংসদ। এবার করোনা পরিস্থিতির মোকাবিলায় যারা পথে নেমে সর্বদা নিজের কর্তব্য করে চলেছেন তাঁদের কুর্নিশ জানালেন সাংসদ মিমি।


SHARE THIS

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.